March 23, 2026, 11:26 am

সংবাদ শিরোনাম
ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

তারাগঞ্জে অপরিকল্পিত গুচ্ছ গ্রাম নির্মান নদীগর্ভে বিলিনের আশংকা

এম.এ.শাহীন, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধিঃঃ

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় চিকলী নদীর ধারে বালু ভরাট করে অপরিকল্পিত ভাবে নির্মাণ হচ্ছে ভূমি মন্ত্রনালয়ের আশ্রয়ন প্রকল্পের গুচ্ছগ্রাম। অপরিকল্পিতভাবে নির্মান হওয়া এ গুচ্ছগ্রাম যেকোনো মূহুর্তে নদীগর্ভে বিলীনের আশংকা করছে এলাকার সচেতন মহল।   এলাকাবাসীর অভিযোগ ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভূমি মন্ত্রননালয়ের (আশ্রয়ন প্রকল্প-২) এর আওতাধীন  গুচ্ছগ্রামটি নির্মিত হচ্ছে নদীর বালু উত্তোলন করে বালুচরে। ভূমিহীন ৩০ টি পরিবারের জন্য ২কক্ষ বিশিষ্ট মোট ৩০ টি ঘর নির্মানের কাজ চলছে এখানে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, এলাকায় আরও খাস জমি থাকলেও কেন নদীর চরে ভূমিহীনদের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মিত হচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য নয়।
এলাকার ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল বলেন, এ ইউনিয়নে ১ নং খতিয়ানে খাস মোট জমির পরিমান ৫১.৯৭ একর, কিন্তু ২৫৪২-৪৭ দাগের ১.৫৪ একর জমিতে গুচ্ছগ্রাম নির্মিত হচ্ছে। বালুচর ছাড়াও আরও ৫০ একরের বেশী খাস জমি রয়েছে এই এলাকায়। কিন্তু নদী চর বেছে নেয়াটা এলাকাবাসীর মনে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। কামার পাড়া গ্রামের রাজু মিয়া, হরিলাল, ধীরেন্দ্র, শফিকুল আক্ষেপ করে বলেন, ‘বালুত ভরাট করিয়া বানাছে হামার এলাকার গরীব মানুষের জন্য গুচ্ছগ্রাম, কয়দিন থাকপে কে জানে”।
নদীর চরের কোনো দিকে বাঁধ না থাকায় বড় ধরনের বৃষ্টি, বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে গুচ্ছগ্রামের ঘর ভেঙ্গে বিলিন হয়ে যেতে পারে আশ্রয়ন প্রকল্পটি এতে সরকারী বরাদ্দের পুরো টাকা বিফলে যাবার আশংকাও রয়েছে। এ ব্যাপারে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম এর সাথে তার অফিস কক্ষে কথা হলে তিনি বলেন, উপজেলার সয়ার ইউনিয়নে ভূমি মন্ত্রনালয়ের আশ্রয়ন প্রকল্পের গুচ্ছগ্রামের মোট বরাদ্দ কত টাকা তা মনে নেই, তবে প্রতিটি পরিবারের ঘরের বরাদ্দ দেড় লক্ষ টাকা।
নদী গর্ভে বিলীনের আশংকার কথা বললে তিনি বলেন, উদ্ধতন কর্তৃপক্ষ কয়েকবার সার্ভে করেছে ভেঙ্গে গেলেও আমার করার কিছুই নেই। গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প চেয়ারম্যান ও ৫নং সয়ার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আজমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি শুধু প্রকল্প চেয়ারম্যান এর বেশী জানিনা।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর